গোপাল সেনাপতি: এবারের মাধ্যমিকে এক থেকে দশের মধ্যে আছে ১২৮ জন ছাত্র-ছাত্রী। অন্যান্য জেলার মতো হাওড়াতেও গ্রাম কেন্দ্রীক ছাত্র-ছাত্রীরাই দৃষ্টান্ত রেখেছে। শহর কেন্দ্রীক স্কুলগুলোকে টেক্কা দিয়ে হাওড়া থেকে যে চারজন প্রথম দশের মধ্যে আছে তারা প্রত্যেকেই গ্রামের ছাত্র-ছাত্রী। এ সম্পর্কে নবম স্থানাধিকারী দ্বীপায়ন মান্নার বাবা, গৌতম মান্না (যিনি বাগনান পাইকপাড়ী হাই স্কুলের অংকের শিক্ষক) বলেন, “এখন আর গ্রাম বা শহর বলে আলাদা কিছু নেই যোগাযোগের মাধ্যমে সকলেই সমান সুযোগ পাচ্ছে।”
যাইহোক, বাগনান আদর্শ বালিকা বিদ্যালয়ের ছাত্রী অনুস্মিতা সাঁতরা, এবারের মাধ্যমিকে ৬৮৬ পেয়ে সপ্তম হয়েছে। অনুস্মিতা জানায়, সে আশানুরূপ ফলই করেছে। সে যেভাবে পড়েছে বা তার স্কুলের পড়াশোনাযর যে ধারা, তার স্কুলও তা আশা করে। অবশ্য ২০১৪ সালেও তার স্কুল থেকে নবম স্থান ছিল। অনুস্মিতা টেস্টের পর থেকেই ৭-৮ ঘন্টা পড়েছে। তার ইচ্ছা ভবিষ্যতে ডাক্তার হয়ে গ্রামের মানুষেরই সেবা করতে চায়।
উলুবেড়িয়া হাই স্কুল থেকে পরীক্ষা দিয়ে ৬৮৪ পেয়ে মেধা তালিকায় নবম স্থানে আছে দ্বীপায়ন মান্না। যেহেতু দ্বীপায়নের মা’ও বাগনান মুগকল্যাণ গার্লস হাই স্কুলের অংকের শিক্ষিকা তাই গৃহ শিক্ষক নিয়ে খুব বেশি ভাবতে হয়নি, ও নিজেই পড়েছে বলে তার বাবা জানান!”
৬৮৩ নম্বর পেয়ে গড় ভবানীপুর ঊষা রানী করাতি বালিকা বিদ্যালয়-এর শময়িতা দাস দশম হয়েছে। তবে শময়িতার কাছেও “গ্রাম-শহর বলে কিছু নয় পড়াটা নিজেকে তো করতে হবে।” তাই কানুপাট পল্লীমঙ্গল গার্লস হাইস্কুল থেকে উচ্চ মাধ্যমিক দেবে এবং ভবিষ্যতে ডাক্তারি পড়তে চায়।
উলুবেড়িয়ার ছেলে সাগ্নিক মন্ডলও ৬৮৩ নম্বর পেয়ে নরেন্দ্রপুর রামকৃষ্ণ মিশন থেকে দশম হয়েছে।
সাগ্নিকের বাবা তপন মন্ডল জানান, স্কুলের নিয়ম অনুযায়ী ও ইঞ্জিনিয়ারিং পড়বে।


Users Today : 2
Users Last 30 days : 90
Total Users : 2669
Views Today : 3